fbpx

লিউকেমিয়া কোন ধরণের ব্লাড ক্যান্সার?

ব্লাড ক্যান্সার আমাদের সবার জন্যই একটি আতঙ্কের নাম। ব্রেস্ট ক্যান্সারের পর ব্লাড ক্যান্সারে মানুষ বেশি আক্রান্ত হয় এবং মারা যায়। ব্লাড ক্যান্সার আবার ৩ ধরণের হয়- লিউকেমিয়া, লিম্ফোমা, মায়লোমা।

লিউকেমিয়া অনেকটা নিরব ঘাতকের মতো। এর লক্ষন গুলো সহজে বুঝা যায় না। এ রোগের লক্ষণ গুলো অন্য অনেক রোগের লক্ষণের সাথে মিল থাকায় প্রাথমিক পর্যায়ে এটি শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

প্রাথমিক পর্যায়ে বুঝা যায় না বলে কি অবহেলা করবেন?

অবশ্যই না! আমরা আরো বেশি সতর্ক হবো যাতে আমাদের অজানতেই লিউকেমিয়া নামে কোনো নিরব ঘাতক আমদের ক্ষতি করে বসতে না পারে।

লিউকেমিয়া

লিউকেমিয়া রক্ত বা অস্থিমজ্জার ক্যান্সার। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর প্রধান লক্ষণ রক্তকণিকার, সাধারণত শ্বেত রক্তকণিকার অস্বাভাবিক সংখ্যাবৃদ্ধি। রোগটির নামই হয়েছে এর থেকে- লিউক~ অর্থাৎ সাদা, হিমো~ অর্থাৎ রক্ত। রক্তে ভ্রাম্যমান এই শ্বেত রক্ত কণিকাগুলো অপরিণত ও অকার্যকর।

রক্ত উৎপাদনকারী অস্থিমজ্জার মধ্যে এদের সংখ্যাধিক্যের ফলে স্থানাভাবে স্বাভাবিক রক্তকণিকা উৎপাদন ব্যাহত হয়। তবে সব লিউকিমিয়াতেই যে শ্বেত কণিকার সংখ্যাধিক্যই দেখা যাবে তা নয়। কোন কোন ক্ষেত্রে অ্যালিউকিমিয়া অর্থাৎ শ্বেত কণিকার স্বল্পতা বা সাব-লিউকিমিয়া অর্থাৎ প্রায় স্বাভাবিক সংখ্যার শ্বেত কণিকা দেখা যেতে পারে (যেমন- “হেয়ারি সেল লিউকিমিয়া” নামের একটি লিউকিমিয়াতে বহুল ভাবে দেখা যায়)। কাজেই সংখ্যা দিয়ে নয়, রক্তকণিকার অস্বাভাবিকতার ফলেই এই রোগ হয়।

প্রকারভেদ

লিউকেমিয়ার অনেক প্রকারভেদ আছে। প্রথমটি হল অ্যাকিউট এবং ক্রনিক।

** অ্যাকিউট লিউকেমিয়া-অপূর্ণাঙ্গ রক্তকণিকার সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি।এর ফলে অস্থি মজ্জা পূর্ণ রক্তকণিকা উৎপন্ন করতে পারে না। অ্যাকিউট লিউকেমিয়ায় ত্বরিত চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিত,কারণ ম্যালিগন্যান্ট কোষের দ্রুত আধিক্য এবং রক্তস্রোতের মাধ্যমে দেহের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়া।এটি শিশুদের লিউকেমিয়ার সবচেয়ে প্রচলিত ধরন।


** ক্রনিক লিউকেমিয়া-প্রায় পূর্ণাঙ্গ,কিন্তু অস্বাভাবিক শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি। কোষগুলো স্বাভাবিকের তুলনায় সংখ্যায় অনেক উচ্চহারে উৎপন্ন হতে থাকে,ফলে অস্বাভাবিক শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি হয়।এমন পর্যায়ে যেতে প্রায় মাস থেকে বছর লেগে যায়।অ্যাকিউট লিউকেমিয়ায় ত্বরিত চিকিৎসা গ্রহণ করলেও ক্রনিক লিউকেমিয়ায় সর্বোচ্চ ফলাফল পেতে পর্যবেক্ষণ করা হয়।অধিকাংশ ক্রনিক লিউকেমিয়া প্রাপ্ত বয়স্কদের হয়।

এর পাশাপাশি কোন ধরনের রক্তকণিকা আক্রান্ত হচ্ছে,তার উপর ভিত্তি করে লিউকেমিয়াকে আরও ভাগ করা হয়,যথা লিম্ফোসাইটিক বা লসিকাকোষীয় লিউকেমিয়া এবং মায়েলজেনাস লিউকেমিয়া।

 
*লিম্ফোসাইটিক লিউকেমিয়াতে, মজ্জা কোষের একটি প্রকরণের ম্যালিগন্যান্ট পরিবর্তন হয় যা লসিকা উৎপন্ন করে।

*মায়েলজেনাস লিউকেমিয়াতে, মজ্জা কোষের একটি প্রকরণের ম্যালিগন্যান্ট পরিবর্তন হয় যা যা লোহিত রক্তকণিকা,শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা উৎপন্ন করে।

এই দুইটি প্রকরণকে মিলিয়ে সর্বমোট চারটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়,যাদের উপভাগ রয়েছে।কিছু দুর্লভ লিউকেমিয়াকে অন্য শ্রেণীবিভাগ করা হয়

*অ্যাকিউট লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকেমিয়া (ALL) শিশুদের সবচেয়ে বেশি হয়।এটি প্রাপ্ত বয়স্কদেরও হয়,বিশেষ করে ৬৫ বছর বা তদুর্ধ।এদের কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি দেয়া হয়।বয়সভেদে বেঁচে থাকার হারের তারতম্য ঘটে-৮৫% শিশু ও ৫০% প্রাপ্তবয়স্ক।

*ক্রনিক লিম্ফোসাইটিক লিউকেমিয়া (CLL) ৫৫ বছরের উপরের ব্যক্তিদের বেশি হয়।এটি কম বয়স্কদের হতে পারে,কিন্তু শিশুদের প্রায় হয় না বললেই চলে।আক্রান্তের দুই তৃতীয়াংশই পুরুষ। ৫ বছর বেঁচে থাকার হার ৭৫%। এটি অনিরাময়যোগ্য,কিন্তু কিছু ফলপ্রসূ চিকিৎসা রয়েছে।

*অ্যাকিউট মায়েলয়েড লিউকেমিয়া (AML) প্রধানত প্রাপ্ত বয়স্কদের হয়,খুব অল্পই শিশুদের হয়,আক্রান্তের অধিকাংশই নারী। এটি কেমোথেরাপি দিয়ে চিকিৎসা করা হয়,পাঁচ বছর বেঁচে থাকার হার ৪০%,ব্যতিক্রম অ্যাকিউট প্রোমায়েলেটিক লিউকেমিয়া,যা ৯০% এর উপরে।

*ক্রনিক মায়েলয়েড লিউকেমিয়া (CML) প্রধানত প্রাপ্ত বয়স্কদের হয়,খুব অল্পই শিশুদের হয়। ৫ বছর বেঁচে থাকার হার ৯০%।

 লক্ষণঃ

ক্রনিক লিউকেমিয়ার লক্ষণঃ

  
১. এক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় বাহ্যিকভাবে কোন স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যায় না। অন্য কোন রোগের পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত ব্লাড রিপোর্টে চিকিৎসকরা রক্তে অস্বাভাবিক পরিবর্তন বা প্লীহা বড় হয়ে গিয়েছে কিনা তা লক্ষ্য করে লিউকেমিয়া সনাক্ত করেন। অর্থাৎ অন্য রোগ সনাক্ত করনের সময় লিউকেমিয়া ধরা পড়ে।
  
২. কোন লক্ষণ দেখা গেলেও তা তেমন তীব্র হয় না কিন্তু সময়ের সাথে লক্ষণগুলো তীব্রতর হতে থাকে। ক্রনিক লিউকেমিয়ার সাধারন লক্ষণগুলো হল- ক্লান্তিভাব, হালকা জ্বর, অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়া বিশেষ করে রাতের বেলায়, কারন ছাড়াই ওজন হ্রাস, প্লীহা বড় হয়ে যাওয়ার কারণে খাওার পরপর পেটের উপরিভাগ ফুলে যাওয়া।
  
৩. ক্রনিক লিউকেমিয়ার ক্ষেত্রে রোগীর গায়ের রঙ বিবর্ণ হয়ে যায়, ঠোট ফ্যাকাশে হয়ে যায়, এর খুব সাধারন একটি লক্ষণ হল প্লীহা বড় হয়ে যায় এবং নাভি সমতল হয়ে যায়, বুকের নিম্নাংশ স্পর্শকাতর হয়ে যায়, ক্যান্সার পরিণত পর্যায়ে চলে গেলে চামড়ার নিচে ছোট ছোট লাল তিলের মত দেখা যায়, চোখের চারপাশ ও মাথার তালু ফুলে যায় কিন্তু কোন ব্যথা থাকেনা।
  

অ্যাকিউট লিউকেমিয়ার লক্ষণঃ

  
১.অ্যানিমিয়াঃ অস্থিমজ্জায় অস্বাভাবিক পরিবরতনের ফলে লোহিত রক্ত কণিকাএবং হিমোগ্লোবিন এর পরিমাণ কমে যাওয়ায় রক্ত শূন্যতা দেখা যায় এবং অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রে এই রক্তশূন্যতা প্রকট আকার ধারন করে।
  
২. জ্বরঃ লিউকেমিয়ার কারণে জ্বর হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে বিভিন্ন রকম ইনফেকশন দেখা দেয়।
  
৩. রক্তপাতঃ নাক ও দাতের মাড়ি এবং শরীরের অভ্যন্তরে বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ থেকে রক্ত ক্ষরণ হয়। অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণের কারণে কোমা হতে পারে এমনকি রোগী মৃত্যুবরণও করতে পারেন।
  
৪. হজমে অসুবিধাঃ কেমোথেরাপি এবং রেডিওথেরাপির প্রতিক্রিয়া হিসেবে হজমে অসুবিধা হতে পারে।
  
৫. হাইপারইউরিসেমিয়াঃ কেমোথেরাপি এবং রেডিওথেরাপির প্রতিক্রিয়া হিসেবে এটি হয়ে থাকে। এছাড়াও অলিগুরিয়া এবং অ্যানুরিয়া অর্থাৎ প্রসাব কম হতে পারে বা বন্ধ হয়ে যেতে পারে ফলে কিডনি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে থাকে।
  

শিশুদের ক্ষেত্রে যেসব লক্ষণ দেখা যায়ঃ

  
শরীরের রঙ ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, ক্লান্তি ভাব, ক্ষুধামান্দ্য ও খাবারে অরুচি,নাক বা মাড়ি দিয়ে রক্তক্ষরণ, কারো কারো ক্ষেত্রে জ্বর এর সাথে শরীর ব্যথা এবং বাত জ্বর বা রিমোটিক ফিভার হয়ে থাকে।
  
১. রক্ত শূন্যতাঃ শুরুর দিক থেকেই রক্ত শূন্যতা দেখা যায় এবং ধীরে ধীরে তা প্রকট হতে থাকে। অ্যানিমিয়া বা রক্ত শূন্যতার লক্ষণ হল রঙ ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, দুর্বলতা, ঘনঘন শ্বাস নেওয়া এবং হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া।
  
২.জ্বরঃ অনিয়মিত ভাবে জ্বর আসা, কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা। এই জ্বরের তাপমাত্রা কম থাকে এবং অ্যান্টিবায়োটিক ও কোন কাজ করে না।  তবে সেকেন্ডারি ইনফেকশন (শ্বাসনালী,মুত্রনালী ইত্যাদির ইনফেকশন) হলে জ্বরের তাপমাত্রা অনেক বেশী হয়।
  
৩.রক্তপাতঃ রক্তপাতের প্রধান কারন হল শ্বেত কনিকা বেড়ে যাওয়ার কারণে অস্থিমজ্জার যে সেলটি রক্তের অনুচক্রিকা সৃষ্টি করে তা বাধার সম্মুখীন হয়। দ্বিতীয়ত, লিভারের অক্ষমতার কারণে ফিব্রিনোজেন, থ্রম্বিনোজেন এবং আসেলেরিন পর্যাপ্ত পরিমানে উৎপন্ন হয় না। তৃতীয়ত, কৈশিকনালীর পরিব্যপ্তিতা বেড়ে যায়। বেশিরভাগ রক্তপাতই চামড়ার ভেতরে শ্লৈষ্মিক ঝিল্লীতে হয় এর ফলে চামড়ায় ছোট ছোট লাল বা বেগুনী রঙের দাগ দেখা যায়, নাক ও মাড়ি দিয়ে রক্তপাত হয়,পাকস্থলী বা অন্ত্রে রক্তক্ষরণ হয়, প্রসাবের সাথে রক্ত যায়। অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এবং এর ফলে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।

কারণ

লিউকেমিয়া হবার জন্য আলাদা কোন একক কারণ নেই। কিছু জ্ঞাত কারণ ,যা স্বাভাবিক ব্যক্তির আয়ত্তে বড় কোন বিষয় নয়,নিয়ন্ত্রণের বাহিরে গেলে ব্যতিক্রম হতে পারে। লিউকেমিয়ার অধিকাংশ কারণই অজানা।ভিন্ন ভিন্ন লিউকেমিয়ার ভিন্ন ভিন্ন কারণ রয়েছে।

অন্যান্য ক্যান্সারের মতই DNA তে মিউটেশন হলে লিউকেমিয়া হয়। এরকম মিউটেশন ক্যান্সার সক্রিয়কারি এজেন্টকে সক্রিয় করে বা টিউমার দমনকারী জিনকে অক্রিয় করে লিউকেমিয়া করে এবং কোষের স্বাভাবিক প্রক্তিয়া ব্যহত করে। এমন মিউটেশন স্বতঃস্ফূর্তভাবে কিংবা তেজস্ক্রিয় পদার্থের বিকিরণের কারণে হতে পারে।

প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে জানা কারণ প্রাকৃতিক এবং কৃত্তিম তেজস্ক্রিয় পদার্থের বিকিরণ,কিছু ভাইরাস যেমন হিউম্যান T লিম্ফোট্রপিক ভাইরাস ও কিছু কেমিক্যাল,বিশেষ করে বেনজিন উল্লেখযোগ্য। তামাকের ব্যবহার অ্যাকিউট মায়েলয়েড লিউকেমিয়ার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। চুলের ডাই এর ব্যবহার কিছু লিউকেমিয়ার কারণ হতে পারে।

ভাইরাস কিছু লিউকেমিয়ার জন্য দায়ী।ইঁদুর ও অন্যান্য স্তন্যপায়ীদের উপর চালানো পরীক্ষায় লিউকেমিয়ার সাথে রেট্রোভাইরাসের সম্পর্ক দেখা যায় এবং মানব রেট্রোভাইরাস চিহ্নিত করা হয়। প্রথম চিহ্নিত রেট্রোভাইরাস হিউম্যান T লিম্ফোট্রপিক ভাইরাস যা T কোষ লিউকেমিয়ার জন্য দায়ী।

পারিবারিক ইতিহাস থেকে জানা যায় কিছু ব্যক্তির লিউকেমিয়া বংশগত। আক্রান্ত ব্যক্তির এক বা একাধিক জিন একই পাওয়া যায়। কিছু ক্ষেত্রে পরিবারে অন্য সদস্যদের একই লিউকেমিয়া দেখা যায়। অন্যান্য পরিবারে আক্রান্ত ব্যক্তির ভিন্নরকম লিউকেমিয়া হতে পারে।

এসকল জেনেটিক বিষয়ের পাশাপাশি যাদের ক্রোমোসোমে অস্বাভাবিকতা রয়েছে,তাদের লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত হবার ঝুঁকি খুব বেশি। উদাহরণস্বরূপ,যাদের ডাউন সিনড্রোম আছে,তাদের অ্যাকিউট লিউকেমিয়া হবার সম্ভাবনা বেশি,বিশেষ করে AML।

তেজস্ক্রিয়তা থেকেও লিউকেমিয়া হতে পারে। উচ্চ চৌম্বকীয় ক্ষেত্রে উন্মুক্ত থাকলেও শিশুদের লিউকেমিয়া হতে পারে।

গর্ভাবস্থায় মায়ের লিউকেমিয়া থাকলেও শিশুর হতে পারে।

চিকিৎসা

অধিকাংশ লিউকেমিয়ার চিকিৎসা ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে হয়,সচরাচর একাধিক ঔষধ ব্যবহার করে।কিছু রোগীর চিকিৎসা কেমোথেরাপির মাধ্যমে করা হয়।আবার কিছু ক্ষেত্রে,অস্থি মজ্জা স্থানান্তর বা bone marrow transplant ফলপ্রসূ।

** অ্যাকিউট লিম্ফোব্লাস্টিক

অ্যাকিউট লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকিমিয়ার চিকিৎসা অস্থি মজ্জার নিয়ন্ত্রণের উপর জোর দেয়।পাশাপাশি,লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত কোষগুলিকে চারদিকে ছড়িয়ে পড়া অবশ্যই রোধ করতে হয়,বিশেষ করে কেন্দ্রীয় স্নায়ু তন্ত্রে(CNS)।সাধারণভাবে,এই চিকিৎসা কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়।

  • কেমোথেরাপি শুরু করা (Induction chemotherapy)
  • থেরাপি একীভূত করা (Consolidation therapy বা intensification therapy)যাতে অবশিষ্ট লিউকেমিয়া কোষ ধ্বংস হয়ে যায়।
  • CNS প্রোফিল্যাক্সিস যাতে লিউকেমিয়া স্নায়ু তন্ত্র এবং মস্তিষ্কে ছড়িয়ে না পড়ে।
  • রক্ষণাবেক্ষণ চিকিৎসা

** ক্রনিক লিম্ফোসাইটিক

কখন চিকিৎসা দেওয়া যাবে-

সাধারণত যেসব কারণে চিকিৎসা দেওয়া হয়-

  • হিমোগ্লোবিন বা অণুচক্রিকার সংখ্যা কমে যাওয়া
  • রোগ আরও বৃদ্ধি পাওয়া Progression to a later stage of disease
  • রোগের কারণে প্লীহা বা লসিকা গ্রন্থির আকার বেড়ে যাওয়া
  • লসিকা কোষ বা লিম্ফোসাইটের অত্যধিক বৃদ্ধি।  

কম খরচে লিউকেমিয়া ক্যান্সার সহ যেকোনো ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসা পেতে যোগাযোগ করুন-

Cancer Home BD

রাফা মেডিকেল সার্ভিসেস, ৫৩ মহাখালী, টিবি হাসপাতালের সামনে।ঢাকা-১২১৬

যোগাযোগ: ০১৭১৫০৯০৮০৭

You May Also Like…

কভিড -১৯ ভ্যাকসিন ক্যান্সারে আক্রান্ত কিছু লোকের জন্য কম কার্যকর হতে পারে-

কভিড -১৯ ভ্যাকসিন ক্যান্সারে আক্রান্ত কিছু লোকের জন্য কম কার্যকর হতে পারে-

বর্তমান করোনা পরিস্থিতি খারাপ থেকে খারাপের দিকে যাচ্ছে। আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে এতে ডাক্তাররাও এদের...

কোরবানি ইদের খাবার ও সতর্কতা-

কোরবানি ইদের খাবার ও সতর্কতা-

ইদ হলো আনন্দের দিন, যার অন্যতম অনুষঙ্গ হলো খাবার। আর কোরবানির ইদের অন্যান্য খাবারের সাথে মূল আয়োজন হলো বিভিন্ন রকমের...

0 Comments

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *