fbpx

** স্তন ক্যান্সার কী?

আমাদের শরীরের যেকোনো স্থানের কোষগুলো যখন খুব দ্রুত বাড়তে থাকে, তখন সেগুলো একটি অস্বাভাবিক চাকা বা পিণ্ড তৈরি করে। এ ধরনের চাকা বা পিণ্ডকে সাধারণ ভাষায় টিউমার বলা হয়।

টিউমার দুই ধরনের হতে পারে, বেনাইন বা অক্ষতিকর এবং ম্যালিগন্যান্ট বা ক্ষতিকর। বেশির ভাগ স্তন টিউমারই বেনাইন; মাত্র ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হল ম্যালিগন্যান্ট টিউমার যাকে আমরা ক্যানসার বলে থাকি।

** লক্ষণঃ

১. স্তনে অথবা বগলের নিচে কোনো চাকা বা পিণ্ড। স্তনে অধিকাংশ পিণ্ড বা লাম্প বেনাইন বা অক্ষতিকর। কিন্তু যদি পিণ্ড বা চাকা শক্ত হয়ে থাকে এবং তার অবস্থান সহজে পরিবর্তন না করে তাহলে সতর্ক হওয়া খুবই জরুরি।

২. স্তনের কোনো অংশ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া বা ভারী বোধ হওয়া।

৩. স্তনের চামড়া লালচে হওয়া বা ফুসকুড়ি দেখা যাওয়া।

৪. স্তনের চামড়া ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়া বা টোল পড়া।

৫. স্তনবৃন্ত ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়া।

** করণীয়ঃ

১. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। গবেষণায় দেখা গেছে অধিকাংশ স্তন ক্যানসারের রোগী ওবেজ বা স্থূল। তাই শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে এ রোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার এবং জাঙ্ক ফুড পরিহার করতে হবে যথাসম্ভব।

২. শারীরিক পরিশ্রম স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়, প্রতিদিন কমপক্ষে আধা ঘণ্টা ব্যায়াম করা উচিত এবং বেশি বেশি পরিশ্রম করা উচিত।

৩. স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে। সবজি জাতীয় খাবার যেমন বাঁধাকপি, ফুলকপি, ফলমূল এ ধরনের খাবার বেশি খেতে হবে।

৪. মদ্যপান থেকে বিরত থাকতে হবে।

৫. বাচ্চাকে বুকের দুধ পান করাতে হবে।