fbpx

** জরায়ুর মুখে ক্যান্সার কী?

জরায়ুর মুখের ক্যান্সার cervix তথা জরায়ু মুখের কোষ থেকেই শুরু হয়। জরায়ু মুখের স্কোয়ামাস সেল থেকেই বেশি হয়ে থাকে। এছাড়া adenocarcinoma ও হতে পারে। cervix হচ্ছে জরায়ু (uterus) এর নিচে সংযুক্ত অংশ এবং যোনির উপরের অংশ।

স্তনের ক্যান্সার নিয়ে মানুষের আলোচনার শেষ নেই অথচ জরায়ু মুখ ক্যান্সার সম্পর্কে জানাও অত্যন্ত জরুরী। আপনি কি জানেন, বিশ্বে নারীদের কমন ক্যান্সারের মধ্যে এটি দ্বিতীয় এবং ক্যান্সার জনিত মৃত্যুতে এটি পঞ্চম। বিশ্বে প্রতি দুই মিনিটে এক জন নারী এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। অথচ এর প্রতিরোধ করা সম্ভব একটু সচেতন হলেই।

** লক্ষণঃ

১. আচমকা ক্ষুধা কমে যাওয়া।

২. সবসময় বমি বমি ভাব কিংবা বার বার বমি হওয়া।

৩. পেটে অতিরিক্ত ব্যথা কিংবা পেট ফুলে থাকা।

৪. গ্যাস, বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য। হালকা খাবারের পরও ভরপেট অনুভব করা, পেটে অস্বস্তি লাগা, ইত্যাদি পেটের কোনো সমস্যা খুব বেশি হলে তা জরায়ু ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে।

৫. যৌনাঙ্গের চারপাশে চাপ চাপ বোধ হওয়া এবং ঘন ঘন মূত্রত্যাগ করা।

** করণীয়ঃ

১. টিকা দিয়ে জরায়ু মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায়।

২. সাধারণত ১২-১৫ বছরের মেয়েদের এই টিকা দেওয়ার কথা বলা হলেও ৩০ বছর পর্যন্ত অবিবাহিত মেয়েদের এই টিকা হয়। তবে ক্যান্সার প্রতিরোধ বলতে মূলত সচেতনতা।

৩. প্রত্যেক নারীর বয়স ৩০-এর বেশি হলে ৩ বছর পর পর জরায়ু মুখের পরীক্ষা করানো উচিত।

৪. কোনো সন্দেহ বা লক্ষণ দেখা দিলে যে-কোনো বয়সের নারীর উচিত আগেভাগেই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া।