fbpx

কেমোথেরাপি

কোনো কোনো ক্ষেত্রে শল্য চিকিৎসা ও বিকিরণ চিকিৎসার সাথে অথবা আগে ও পরে ক্যন্সার কোষ ধ্বংসী ওষধ এর সাহায্যে চিকিৎসা করা হয়। বস্তুত রোগ ও রোগীর অবস্থাভেদে শল্য চিকিৎসা ,রেডিওথেরাপী বা কেমোথেরাপী প্রয়োগ করা হয়। তবে রোগের প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা করলে ক্যান্সার সম্পূর্ণ রূপে নিরাময়ের সম্ভাবনা খুবই প্রবল।  

কেমোথেরাপি কী?

ক্যান্সার বা কর্কটরোগের রাসায়নিক চিকিৎসা বা কেমোথেরাপি (ইংরেজি: chemotherapy) হলো এক প্রকার চিকিৎসা ব্যবস্থা যে ব্যবস্থায় ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করতে ক্যান্সাররোধী (অ্যান্টি-ক্যান্সার) এবং কর্কটরোগাক্রান্ত কোষের জন্য বিষাক্ত (সাইটোটক্সিক) ওষুধ ব্যবহার করা হয়।

৫০টিরও বেশি ধরনের রাসায়নিক চিকিৎসামূলক ওষুধ রয়েছে। এগুলোর কোনও কোনওটি ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল হিসেবে খেতে হয়। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ওষুধগুলোকে তরল বা স্যালাইনের সাথে বা অন্য কোনভাবে সরাসরি রক্তে দিয়ে দেয়া হয়।

রক্তের সাথে মিশে এই ওষুধগুলো শরীরের যেখানে যেখানে ক্যান্সার কোষ রয়েছে সেখানে গিয়ে ক্যান্সার কোষগুলোকে ধ্বংস করার চেষ্টা করে। শরীরের একটি স্থান থেকে অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়া ক্যানসারের চিকিৎসায় কেমোথেরাপি ব্যবহার করা হয়।

কেমোথেরাপির প্রধান লক্ষ্যগুলো হচ্ছে:

১. ক্যানসার পুরোপুরি ধ্বংস করা (সর্বোত্তম ফলাফল)

২. ক্যানসার ছড়ানো ও বিকাশ নিয়ন্ত্রণ করা

৩. প্যালিয়েশন বা রোগের উপসর্গ বা ব্যথা প্রশমিত করা।

ক্যানসারের ধরন, রোগীর মেডিক্যাল ইতিহাস, শারীরিক স্থানের প্রকৃতি, শারীরিক ওজন, বয়স ও ক্যানসারের পর্যায়ের ওপর কেমোথেরাপির ডোজ, শিডিউল ও ওষুধ নির্ভর করে। একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কতবার কেমোথেরাপি দিতে হবে রোগীভেদে ভিন্ন হতে পারে।

কেমোথেরাপির সর্বোচ্চ কার্যকরণ হচ্ছে ক্যানসার পুরোপুরি নির্মূল করা। এর মানে হলো ক্যানসার কোষগুলো পুরোপুরি ধ্বংস করা ও সেগুলো আর ফিরে আসবে না। অধিকাংশ চিকিৎসক ক্যানসারের ক্ষেত্রে ‘কেমোথেরাপি’ শব্দটি ব্যবহার করেন না, যদিও তারা থেরাপির সম্ভাব্য ফল হিসেবে শব্দটি মেনশন করতে পারেন।

অন্যান্য ওষুধ সম্পর্কিত চিকিৎসার মতো কেমোথেরাপিতেও গ্যারান্টি নেই যে পুরোপুরি নিরাময় হবে, যদিও ক্যানসারের চিকিৎসায় এটাই হচ্ছে চূড়ান্ত লক্ষ্য। কেমোথেরাপি শুরু করার পর অনেক বছর ধরে এটা চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে এবং থেরাপিতে শরীরের সকল ক্যানসার কোষ ধ্বংস নাও হতে পারে।

You May Also Like…

কভিড -১৯ ভ্যাকসিন ক্যান্সারে আক্রান্ত কিছু লোকের জন্য কম কার্যকর হতে পারে-

কভিড -১৯ ভ্যাকসিন ক্যান্সারে আক্রান্ত কিছু লোকের জন্য কম কার্যকর হতে পারে-

বর্তমান করোনা পরিস্থিতি খারাপ থেকে খারাপের দিকে যাচ্ছে। আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে এতে ডাক্তাররাও এদের...

কোরবানি ইদের খাবার ও সতর্কতা-

কোরবানি ইদের খাবার ও সতর্কতা-

ইদ হলো আনন্দের দিন, যার অন্যতম অনুষঙ্গ হলো খাবার। আর কোরবানির ইদের অন্যান্য খাবারের সাথে মূল আয়োজন হলো বিভিন্ন রকমের...

1 Comment

  1. Sanjay Das

    Cervical cancer

    Reply

Submit a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *